কারবালা হয়েছিল রক্তস্নাত

কারবালা হয়েছিল রক্তস্নাত

কলমে - শিবব্রত গুহ


পৃথিবীর ইতিহাসে অনেক নৃশংস ঘটনার উদাহরণ আছে। তার মধ্যে একটি ঘটনার
কথা আমি আজ আপনাদের সামনে তুলে ধরার
আপ্রাণ চেষ্টা করবো। এর কথা মনে পড়লেই,
হৃদয় ভরে ওঠে দুঃখে। এই নৃশংস ঘটনা লজ্জা
দেয় মানবিকতাকে। যারা যারা এই ঘটনার
সাথে যুক্ত ছিলেন, তাদেরকে আমি অন্তত মানুষ বলে মনেই করি না।


এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সারা পৃথিবীর ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের এক পরব অনুষ্ঠিত হয় প্রতি বছর।
এর নাম আমাদের সবার জানা আছে, তবুও বলি।
এর নাম হল মহরম। ইমাম হোসেইন ছিলেন

নবী
হজরত মুহাম্মদের কন্যা ফাতিমার পুত্র এবং হাসানের কনিষ্ঠ ভাই। ইমাম হোসেইন ইসলামের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বও
বটে।


ইমাম হোসেইন ছিলেন একজন মহান ব্যক্তি।
তাঁর মহানতার বিবরণ দেওয়ার মতো শব্দ আমার কাছে নেই। শুধু এটুকু বলতে পারি, যে, পৃথিবীর ইতিহাসে যে কয়েকজন মহান ব্যক্তির আবির্ভাব হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে ইমাম হোসেইন হলেন
একজন ব্যক্তি। তিনি মানুষকে ভালোবাসতেন।
এই দুনিয়ার ইতিহাস পর্যালোচনা করলে, আমরা দেখতে পাবো, যে, যে সকল মহান ব্যক্তি মানুষকে
ভালোবেসেছেন , তাদের ভালো করার চেষ্টা করেছেন সারাজীবন ধরে, সেই তাঁদের,
, তাঁদেরই ক্ষতি করার জন্য দুষ্ট লোকেরা আপ্রাণ চেষ্টা করে গেছে।

মুহররম হল ইসলামি বর্ষপঞ্জির এক মাস। ইসলামের চারটি পবিত্রতম মাসের মধ্যে হল
এটি একটি। প্রাচীন কাল থেকে মুহররম মাস
পবিত্র হিসাবে গণ্য করা হয়ে এসেছে। মহরমের
১০ তারিখ হল এক বিশেষ মর্যাদাসম্পন্ন দিন।
যাকে বলা হয়ে থাকে " আশুরা "। এক বিশেষ ঐতিহাসিক ঘটনার স্বাক্ষী হল এই মাস।

শিয়া ও সুন্নী, বিশ্বের দুই ধরনের বৃহৎ মুসলমান সম্প্রদায়, দুইরকম ভাবে, মহরম পালন করে থাকে। কয়েকজন ঐতিহাসিকদের মতে, এজিদের
রাজত্বকাল, তিনটি দুষ্কর্ম্মের জন্য কুখ্যাত। প্রথম বছরে, তার দ্বারা মহানবীর আদরের দৌহিত্র ইমাম হোসেনকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল।
যা বিশ্ব মানবতাকে করেছিল কলঙ্কিত।

দ্বিতীয় বছরে, সে মহানবীর স্মৃতি বিজড়িত পবিত্র
মদিনাকে লুন্ঠন করেছিল। তৃতীয় বছরে, সে, ইসলাম ধর্মাবলম্বী মানুষদের পবিত্র ধর্মস্থান মক্কার
কাবা শরীফের ওপরে করেছিল হামলা। আমি,
ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, এজিদ, ছিল মানুষরূপী
এক অমানুষ। সে যা যা দুষ্কর্ম করেছে, সারা জীবন ধরে, তার জন্য, সারা বিশ্বের মানবজাতি
তাকে কোনদিনও দেখবে না শ্রদ্ধার নজরে,
তাকে, চিরকাল দেখবে ঘৃণার নজরে।


ইমাম হোসেনেকে, আজও শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে, শুধু ইসলাম ধর্মাবলম্বী মানুষেরাই নয়,
সারা পৃথিবীর মানবজাতি। তাঁর মহান জীবনকাহিনী এখনো প্রেরণা জুগিয়ে চলেছে অনেক মানুষকে। তিনি হলেন বিশ্ব মানবতার এক উজ্জ্বল নিদর্শন। তাঁর আত্মত্যাগের কোন তুলনাই হয় না। তিনি ছিলেন একজন বীর যোদ্ধা।


সারা পৃথিবী জুড়ে, অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে মহরম পালিত হয়ে থাকে। এই মহরমের সাথে জড়িয়ে আছে এক নির্মম ইতিহাস। এবার আমি সেই ইতিহাস আপনাদের সামনে তুলে ধরবো।
উমাইয়া রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা হযরত মুয়াবিয়া,
খলিফা পদ লাভ করার পরে, বংশানুক্রমিক
রাজতন্ত্রের করেছিলেন সূচনা। ৬৭৬ সালে, বসরার শাসনকর্তা হযরত মুগিবার কুপ্ররোচনায়,
তিনি তার জ্যেষ্ঠ পুত্র এজিদকে তার উত্তরাধিকারী
মনোনীত করেছিলেন।

এজিদের বদগুণের কোন অভাব ছিল না। সে ছিল
এক নিষ্ঠুর, বিশ্বাসঘাতক, অধার্মিক ও মদ্যপায়ী
ব্যক্তি। তার নিষ্ঠুরতা ইতিহাসকে দেয় লজ্জা।
এজিদের খলিফা মনোনয়ন, অনেকে মেনে নিয়েছিল। কিন্তু, ধার্মিক, সৎ ও বিশ্ব মানবতার প্রতীক ইমাম হোসেন সহ কতিপয় ব্যক্তি, এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিলেন। কিছুদিন পরে,
অবশ্য, বিরোধীদের এক বড় অংশ, অর্থের বিনিময়ে, এজিদের সমর্থনে এগিয়ে এসেছিল।



এজিদ দ্বারা প্রবর্তিত কুশাসন, ইমাম হোসেনের পক্ষে, কোনভাবেই মেনে নেওয়া সম্ভব ছিল না।
কারণ, তাঁর চিন্তাভাবনা ছিল মহৎ। খিলাফত
ব্যবস্থার পুনরুজ্জীবন ছিল তাঁর জীবনের অন্যতম
প্রধান লক্ষ্য। কুফাবাসীরা, এজিদের হাত থেকে রক্ষা পাবার জন্যে, বারবার ইমাম হোসেনের সাহায্য প্রার্থনা করেছিল। তাদের প্রার্থনায় আর থাকতে না পেরে, ইমাম হোসেন অবশেষে, কুফা যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তাঁর জীবনের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও।


তিনি, কুফার সার্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার জন্য, তাঁর কাকাতো ভাই, মুসলিম - বিন - আকিলকে, সেখানে পাঠিয়েছিলেন। কতিপয় কুফাবাসী, ইমাম হোসেনকে, কুফায় আসার মিনতি করে চিঠি লিখেছিলেন। এজিদের অধীনস্হ ইরাকের শাসনকর্তা, কঠিন হৃদয়ের শয়তান, ওবায়দুল্লাহ বিন জিয়াদ, তাদের খুঁজে খুঁজে বের করে, নৃশংসভাবে হত্যা করেছিল।
এতে, কুফাবাসীরা প্রচন্ড ভয় পেয়ে গিয়েছিল।


তারা হারিয়ে ফেলল তাদের মনের সব সাহস।
তারা ইমাম হোসেনেকে সমর্থন করার সাহস আর পেল না। কিন্তু, তারা মনে মনে, ইমাম হোসেনকেই,
খলিফা হিসাবে দেখতে চাইত। তবে, তা করতে গিয়ে তারা তাদের প্রাণ বিসর্জন দিতে চাইছিল না।
এজিদের নির্মমতার কথা মনে রেখেই, কিছু লোক,
শুধুমাত্র, ইমাম হোসেনকে ভালোবেসে, তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস রেখে, এজিদের বিরুদ্ধে মরণপণ সংগ্রামে হয়েছিলেন অবতীর্ণ। তাঁরা পাননি ভয়। তাঁরা অন্যায়ের সাথে করে নেননি কোন আপোষ।
কারণ, তাঁরা প্রত্যেকেই ছিলেন এক - একজন বীর।


প্রেরিত পত্র পেয়ে, আর দেরি না করে, ইমাম হোসেন, তাঁর স্ত্রী, পুত্র, কন্যা, আত্মীয় স্বজন, অনুচরদের সাথে নিয়ে, বেরিয়ে পড়েছিলেন কুফার উদ্দেশ্যে। এদিকে, কুফায়, এজিদ বাহিনীর সেনাপতি ওমর, ইমাম হোসেনকে, এজিদের কাছে আনুগত্যের নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু, বীর
হোসেন তা সজোরে করেছিলেন প্রত্যাখ্যান।
এতে, এজিদের সেনারা ভীষণ ক্ষেপে উঠেছিল।
তারা তখনো জানতো না, যে, তারা কি ক্ষমার অযোগ্য পাপ কাজে লিপ্ত হতে যাচ্ছে! যার জন্য,
বিশ্ববাসী তাদের চিরকাল দেখবে ঘৃণার নজরে।



এজিদের সেনারা, ফেরাত নদীর জল বন্ধ করে দিয়েছিল। কারবালার পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হতে থাকে। মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও ইমাম হোসেনের সাথীরা, অবিচল থেকে তাঁদের দায়িত্ব পালন করে গেছিলেন। যা সত্যিই, এক অপূর্ব শিক্ষা মানবজাতির জন্য। একজন বিশ্বস্ত অনুচরের নাম ছিল হযর‍ত আব্বাস। তিনি ছিলেন হযরত আলি ও উম্মুল বানিনের ছেলে। তিনি ছিলেন একজন
সুদর্শন সুপুরুষ। তাঁর সাহস ছিল খুব। কারবালার
যুদ্ধে, তিনিই ছিলেন ইমাম হোসেনের পক্ষের প্রধান সেনানায়ক।


তৃষ্ণার্ত ইমাম হোসেন সহ শিশু, নর নারীদের বাঁচানোর জন্য, তাঁদের জল এনে দেওয়ার জন্য,
তিনি জীবন পণ করেছিলেন। তাঁর এই বীরত্ব,
ইতিহাসের পাতায় লেখা আছে স্বর্ণাক্ষরে।
ওবায়দুল্লাহ বিন জিয়াদের সেনাবাহিনীর সংখ্যা ছিল ৪ হাজার। তারা ইমাম হোসেনকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলেছিল। ইমাম হোসেনের সন্তানেরা তৃষ্ণায় কাতর হয়ে পড়লে, হযরত আব্বাস গিয়েছিলেন, ফোরাতে জল আনতে।
তিনি নিজেও কিন্তু খুব পিপাসার্ত ছিলেন।
তিনি নিজে জল পান করতে যাবেন, এমন সময়,
তাঁর মনে পড়ে গেল, পিপাসার্ত ইমাম হোসেনের
সন্তানদের কথা।


তিনি জল নিয়ে, তাঁবুর দিকে রওনা দিলে,
শত্রুদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তাঁর এক হাত যায় কেটে। তিনি অন্য হাতে জল নিয়ে, তবু্ও এগিয়ে চললেন। এবার, তাঁর অন্য হাতটাও কাটা গেল। এবার তিনি, জল ভর্তি, মশকটা মুখে নিয়ে,
চলতে লাগলেন। শত্রুর তীর এবার তাঁর দেহে সরাসরি বিদ্ধ হয়েছিল। তিনি বীরগতি প্রাপ্ত হয়েছিলেন।

সাহাবা হাবিব ইবনে
মাজাহের, মুসলিম ইবনে আওসাজা, নওমুসলিম ওহাব প্রমুখ ইমাম হোসেনের অনুচরেরা সহ আরো অনেকেই এই অসম যুদ্ধে
শহীদ হয়েছিলেন। জলের অভাবে, ইমাম হোসেনের শিবিরে পড়ে গিয়েছিল প্রচন্ড হাহাকার। কি অসহনীয় দৃশ্য! যা যায় না সহ্য করা।


ছোট শিশুরা মুর্ছা যেতে লাগলো। নিরুপায় হয়ে,
ইমাম হোসেন শেষবারের মতো, শয়তানদের কাছে করলেন অনুরোধ। কিন্তু, তাতে হয়নি কোন লাভ। এরফলে, শুরু হয়েছিল যুদ্ধ। কারবালার প্রান্তরে, এই যুদ্ধ হয়। ইমাম হোসেনের ভ্রাতুষ্পুত্র
কাশিম শত্রুর আঘাতে মারা গেলেন।


তৃষ্ণার্ত ইমাম হোসেন শিশুপুত্র আসগরকে কোলে নিয়ে, ফোরাত নদীর দিকে অগ্রসর হয়েছিলেন।
কিন্তু, এজিদ বাহিনীর নিক্ষিপ্ত তীর শিশুপুত্রের শরীরে বিদ্ধ হয়েছিল। পুত্রের মৃত্যুর পরে, ইমাম হোসেন একাকী অবসন্ন অবস্থায়, তাঁবুর সামনে বসে পড়লেন।

এজিদ বাহিনীর এক সৈন্য সীমার নামীয় তরবারীর আঘাতে, নামাজ রত অবস্থায়,
ইমাম হোসেনের মস্তক শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে
দিয়েছিলেন। উফ, এই দৃশ্য যায় না সহ্য করা,
এরা কি মানুষ? মানুষ হয়ে এরা কিভাবে, এই ধরনের হত্যাকান্ড ঘটাতে পেরেছিল? এদের নৃশংসতা যে বন্য পশুদেরকেও হার মানিয়ে দেয়।


ইমাম হোসেনের পরিবারের জীবিত সদস্যদের,
বন্দী করে, দামাস্কাসে, এজিদের কাছে পাঠানো হয়েছিল। এদিকে, ইমাম হোসেনের ভয়াবহ হত্যাকান্ড, জনগণকে বিক্ষুব্ধ করে তুলেছিল।
এজিদ তাই দেখে, বিচলিত হয়ে উঠেছিল।
তিনি নিজের রাজগদি নিরাপদে রাখার জন্য
ও জনরোষের হাত থেকে বাঁচার জন্য, এক কৌশল নিয়েছিলেন।

তিনি বন্দীদের মুক্ত করে, মদিনায় পাঠিয়ে দেন।
হিজরি মহরম মাসের ১০ তারিখ, ইমাম হোসেন শহীদ হয়েছিলেন। মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা,
এই তারিখে, প্রতি বছর, মহরম পালনের মধ্যে দিয়ে, সেদিনের ওই নির্মম ও হৃদয়বিদারক ঘটনাকে স্মরণ করে থাকেন। মহরমের তাৎপর্য বিরাট। যা ভাষায় ব্যাখ্যা করা মোটেই নয় সহজ।
এই মহরমের দিনটিকে বলে, আসুরা। যার অর্থ হল দশ।

শিয়া মুসলিমেরা, ইমাম হোসেনের নিষ্ঠুর হত্যাকান্ডের করুন স্মৃতি হিসাবে এই দিনটিকে পালন করে থাকে। তারা ইমাম হোসেনের শোকে,
অবিরাম বুক চাপড়ে রক্ত বের করতে থাকেন।
ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা, এইদিন নামাজ পাঠ,
কোরান পাঠ, দরিদ্র মানুষদের দানের মধ্যে দিয়ে
শ্রদ্ধার সাথে মহরম পালন করে থাকেন।
মহরমের দিন চলে, গান ও বাজনার তালে তালে
লাঠি, তলোয়ার, বল্লমের খেলা। যা পরিচিত আখড়া নামে।


মহরমের মিছিলের সামনে, চলে, লম্বা বাঁশে বাঁধা
নানা রঙের পতাকা। কোথাও মিছিলের সাথে চলে
ইমাম হোসেনের সাদা রঙের ঘোড়া। ইমাম হোসেন ( রাঃ) - এর জীবনের সবচেয়ে বড় আকাঙক্ষা কি ছিল জানেন? তা হল শাহাদত।
কারণ, খোদা স্বয়ং বলেছেন, শাহাদাত হচ্ছে সবচেয়ে বড় পুণ্য। ইমাম হোসেন ( রাঃ) - এর
কথা বলতে গেলে মনে পড়ে যায় তাঁর পিতা
হযরত আলী ( আঃ) - এর কথা। তাঁর পিতা ছিলেন একজন মহান ব্যক্তি। তিনি ছিলেন
ইসলামিক ইতিহাসের এক অন্যতম সেরা বীর যোদ্ধা।


ইমাম হোসেনের সমাধি কোথায় অবস্থিত জানেন আপনারা? সে জায়গার নাম হল কারবালা।
যা বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরাকে অবস্থিত।
মক্কা ও মদিনার পরে, ইমাম হোসেনের মাজার
ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের এক অন্যতম পবিত্র
স্থান হিসাবে বিবেচিত হয়ে আসছে।
সারা বিশ্ব থেকে প্রচুর মানুষ এখানে এসে থাকেন।


প্রতি বছর, ইমাম হোসেনের লাখো লাখো অনুসারী, পবিত্র আশুরার দিন এখানে এসে উপস্থিত হয়ে থাকেন। মাজারের সীমানা দেয়াল
কাচ দ্বারা সজ্জিত কাঠের দরজা দ্বারা বেষ্টিত
করা হয়েছে। ইমাম হোসেনের রওজা, একটা ধাতব জালিকার দ্বারা আবদ্ধ করা হয়েছে।
রওজাটি ঠিক সোনালী গম্বুজের নীচে অবস্থিত।

মুহররম একটি আরবি শব্দ। যার অর্থ হল পবিত্র,
সন্মানিত। আশুরা শব্দটি আশরা শব্দের অপভ্রংশ। মহরম মাস খুবই পবিত্র। এই মাসে
ইসলামিক ইতিহাসের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছিল। এই মাসেই মহান নবী হজরত মহম্মদ
ইসলাম ধর্ম প্রচার করেছিলেন শুরু। এই মাসেই,। তিনি আবার যুদ্ধ বিগ্রহ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন।


প্রতি বছর, মহরম আসলেই মনে পড়ে যায়,
কারবালার কথা। এই কারবালা হয়েছিল এক অসম যুদ্ধে রক্তস্নাত। এই রক্তস্নাত কারবালা আজো পীড়া দেয়
সারা পৃথিবীর মানবজাতিকে।


( তথ্য সংগৃহীত)


বব্র্