দুর্গাপূজায় তিনদিনের ছুটি চায় হিন্দু মহাজোট

দুর্গাপূজায় তিনদিনের ছুটি চায় হিন্দু মহাজোট

বাংলাভাষী ডেস্কঃ
হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজায় তিনদিনের সরকারি ছুটি ঘোষণার দাবি জানিয়েছে জাতীয় হিন্দু মহাজোট। এই দাবি ১৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পূরণ না হলে দেশের সব জেলা-উপজেলায় মানববন্ধনের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি। শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয় হিন্দু মহাজোট আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে এ দাবি জানানো হয়। বক্তারা বলেন, দুর্গাপূজায় পাঁচ দিনের ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা থাকলেও সরকারিভাবে মাত্র একদিন ছুটি থাকে, সেটাও বিজয়া দশমীর দিন। ফলে কারও পক্ষেই পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ধর্মীয় কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকে না।

বক্তারা বলেন, সংবিধানের মূলনীতিতে ধর্মনিরপেক্ষতার কথা থাকলেও কার্যক্ষেত্রে তার প্রয়োগ নেই। সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায় দুটি ধর্মীয় উৎসবে ছয় দিনের সরকারি ছুটি ভোগ করলেও হিন্দুদের দীর্ঘদিনের দাবি দুর্গাপূজায় তিন দিনের ছুটির বিষয়টি উপেক্ষিত। আসন্ন দুর্গাপূজার আগেই প্রধানমন্ত্রী তার নির্বাহী আদেশে তিন দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।

মানববন্ধনে সারাদেশের মন্দির-প্রতিমা ভাঙচুরসহ হিন্দু নির্যাতনকারীদের গ্রেপ্তার এবং ধর্ম অবমাননার মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। বক্তারা আরও বলেন, করোনা দুর্যোগের শুরু থেকে ব্যাপক হারে হিন্দু নির্যাতন শুরু হয়, যা এখন ব্যাপক আকার নিয়েছে। সারাদেশে মাঝেমধ্যেই প্রতিমা ভাঙচুর, মন্দিরে চুরি, জমি দখল, দেশত্যাগে বাধ্য করতে হামলা, জমি-বাড়িঘর জোরপূর্বক দখলসহ লুটতরাজ ও মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার চলছে।

হিন্দু মহাজোটের সভাপতি অ্যাডভোকেট বিধান বিহারী গোস্বামীর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন নির্বাহী সভাপতি দীনবন্ধু রায়, মহাসচিব অ্যাডভোকেট গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক, কেন্দ্রীয় নেতা প্রদীপ পাল, বিজয় ভট্টাচার্য, নকুল মণ্ডল, সুজয় ভট্টাচার্য, কাকলী নাগ, মুক্তা বিশ্বাস, ডি কে সমির, অখিল বিশ্বাস, শ্যামল ঘোষ, নিপুণ চন্দ্র পাল, গোপাল পাল, সঞ্জয় শীল প্রমুখ।