শস্যচিত্রে বাঙালি জাতির মহানায়ক

শস্যচিত্রে বাঙালি জাতির মহানায়ক

বাংলাভাষী ডেস্কঃ

জেলার শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বালেন্দা গ্রামের মাঝে বিস্তীর্ণ এক মাঠে ধানের ক্ষেতে দৃশ্যমান হয়ে উঠছেন বাঙালি জাতির মহানায়ক। মাঠে ১০০ বিঘা জমির ধানখেতে ‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু’র প্রতিকৃতি তুলে ধরা হয়েছে। যা দেখতে ভিড় করছেন দূরদূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীরা। কেউ মুঠোফোনে, কেউ ক্যামেরায়, কেউ ড্রোন দিয়ে ছবি তুলছেন।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু জাতীয় পরিষদ’। যা বাস্তবায়ন করছে ন্যাশনাল অ্যাগ্রিকেয়ার গ্রুপ অব কোম্পানিজ নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান।

২৯শে জানুয়ারি শুরু হয় চীন থেকে আমদানি করা সবুজ আর বেগুনি রঙের দুই জাতের ধানের চারা রোপনের কাজ। বিএনসিরির সহযোগিতায় অন্তত ৬০ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির কৃষক বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে রোপণ করেন বীজ। এখন চলছে পরিচর্যার কাজ। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আদিবাসী নারী-পুরুষ কাজ করছেন জমিতে। তারা সবুজ ও বেগুনি ধানের চারার মধ্যে থাকা আগাছা পরিষ্কার করছেন।

গিনেস বুকের স্বীকৃতি পেতে ইতিমধ্যে কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে। ২৬ মার্চের আগেই বঙ্গবন্ধুর সবচেয়ে বড় প্রতিকৃতি ফুটিয়ে তোলার সনদ মিলবে বলে আশা করছেন উদ্যোক্তারা। সবকিছু ঠিক থাকলে ২৬ মার্চ শেরপুরের আমিনপুর মাঠেই উদযাপন করা হবে আনন্দ উৎসব। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বঙ্গবন্ধুকন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণও জানাবেন আয়োজকেরা।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের থেকে জানা যায়, ন্যাশনাল অ্যাগ্রিকেয়ার সিডস প্রকল্পে শেরপুরের এই মাঠে ১২০ একর জমি ইজারা নেওয়া আছে। এই জমি থেকে শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি আঁকার জন্য ১০০ বিঘা জমি আলাদা করা হয়। এরপর ২৯ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি তৈরির কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। ১ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চারা রোপণের কাজ চলে। এখন চলছে পরিচর্যার কাজ। গিনিস বুকে রেকর্ড গড়ার মূল উৎসব হবে ২৬ মার্চ। আগামী ১৪ মার্চ কৃষিমন্ত্রী প্রকল্প পরিদর্শন করবেন।