সিলেটের সুরমা নদী ভরাট করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ, নদী থেকে বালু উত্তোলন ও নদীতে আবর্জনা ফেলার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন উচ্চ আদালত। একই সঙ্গে বালু উত্তোলন বন্ধ ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে আগামী দুই মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

এছাড়া সুরমা নদী রক্ষায় বিবাদীদের ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না -তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।  রুলে নদী খনন করে সুরমা নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনার কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না -তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

গত এপ্রিলে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়ন সংস্থার পক্ষে নাজিম উদ্দিন নাজিম সিলেটের পশ্চিম কাজির বাজার সংলগ্ন সুরমা নদীর বালু উত্তোলন বন্ধ, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন। ওই রিটের শুনানি নিয়ে সোমবার হাইকোর্টের বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদেশে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে নৌ-পরিবহন সচিব, ভূমি সচিব, বিআইডব্লিউটি এর চেয়ারম্যান, সিলেটের মেয়র, জেলা প্রশাসক, পুলিশ কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।