বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০১৯ উপলক্ষে বিভাগীয় নগরী সিলেটে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য- ‘জনসংখ্যা ও উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ২৫ বছর : প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়ন’।

বিভাগীয় পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। যা বিভিন্ন সড়ক ঘুরে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে আলোচনা সভা ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে বিশেষ অবদানের জন্য সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ট কর্মী ও প্রতিষ্ঠানের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. মোস্তাফিজুর রহমান পিএএ বলেন, ‘পরিবার পরিকল্পনা বিভাগকে একটি নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসতে একটি অ্যাপস চালু করা হবে। ফলে মাঠ পর্যায় থেকে শুরু করে ভোক্তারাও এর সুবিধা পাবেন। এতে করে মাতৃমৃত্যু হ্রাসসহ সার্বিক কার্যক্রমে তদারকি করতেও সুবিধা হবে।’

সভায় পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. কুতুব উদ্দিন সিলেট বিভাগের পরিবার পরিকল্পনা এবং মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, চলতি বছরে সিলেটে মাতৃমৃত্যু এবং শিশু মৃত্যু হ্রাস পেয়েছে একই সাথে পরিবার পরিকল্পনার বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহারকারীদের সংখ্যাও বেড়েছে।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগের সহকারি পরিচালক ডাঃ মোঃ আনিছুর রহমান, সিলেটের সিভিল সার্জন ডাঃ হিমাংশু লাল রায়, সিলেট জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী দেবজিৎ সিংহ, সিলেট মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর)মোঃ আজবাহার আলী শেখ।

সিলেট সদর উপজেলার পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবুল মনসুর আসজাদের উপস্থাপনায় শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন চেয়ারম্যানদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- সিলেট সদরের টুকের বাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুস শহীদ, বালাগঞ্জের বোয়ালজুড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আনহার মিয়া, হবিগঞ্জ সদরের পৈল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ মঈনুল হক আরিফ।

অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় ছিলেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর সিলেটের উপ-পরিচালক ডা. লুৎফুন্নাহার জেসমিন। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র ক্বোরআন তেলাওয়াত করেন মোঃ মনসুর আহমদ এবং গীতা পাঠ করেন চায়না তালুকদার। অনুষ্ঠানে পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য বিভাগে কর্মরত সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার কর্মরতরাসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।