বৃহস্পতিবার ১ জানুয়ারি, ১৯৭০
রাজাকারের তালিকা প্রকাশ ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়াক মাননীয় মন্ত্রীকে নিয়ে ষড়যন্ত্র
২২ ডিসেম্বর, ২০১৯

 

ডাঃ মাসুম বিল্লাহ

 

স্বাধীনতার জন্য এত প্রাণ, এত রক্ত আর কোনো জাতি দেয়নি। আর কোনো মুক্তিযুদ্ধ এভাবে জনযুদ্ধ হয়ে উঠেছিল কিনা, তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, অন্যান্য জাতি যেভাবে তাদের স্বাধীনতা বা মুক্তিযুদ্ধের দলিল ও স্মারক সংরক্ষণ করতে পেরেছে, আমরা সেটা পারিনি। এর একটি প্রধান কারণ, স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মর্মন্তুদ হত্যাকাণ্ড। ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা প্রথমবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা যেন পুনরুজ্জীবন লাভ করে। মুক্তিযোদ্ধারা ফিরে পায় মর্যাদা, স্বাধীনতার সপক্ষের মানুষ ফিরে পায় আত্মবিশ্বাস। মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ও দলিলপত্রও সংরক্ষিত হতে থাকে। আমরা দেখেছি, শেখ হাসিনার চার মেয়াদের প্রধানমন্ত্রিত্বকালে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির জমানো অনেক জঞ্জাল ইতোমধ্যে পরিস্কার করা হয়েছে। জাতির পিতা হত্যার বিচার নিয়মিত আদালতে সম্পন্ন হয়েছে। একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধীদের অনেকে ইতোমধ্যে কৃতকর্মের সাজা পেয়েছে। আরও অনেকের বিচার চলছে। রাজাকার বা স্বাধীনতাবিরোধীদের তালিকা বর্তমান সরকারের মুকুটে আরেকটি পালক যুক্ত করতে পারত। কিন্তু আমি মনে করি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের অবহেলার কারণেই আজ মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এরকম একটি ভুল করেছেন এটা আমরা সবাই জানি দুই মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীই অনেক দক্ষ ও সৎ তবে এখনই মুক্ষম সময় যে সকল কর্মকর্তা এই তালিকা প্রণয়ণে আগে এবং পরে জড়িত ছিলেন তাঁদের কে বিচারের আওতায় আনা। তবে দুঃখ জনক হলেও সত্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাংবাদিক সম্মেলন করে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের উপর দায় চাপনের যে কৌশল ছিল সেটা ছিল নব্য আওয়ামী লিগার ও বিরোধী দলের হাতে একটি মোক্ষম হাতিয়ার তুলে দেওয়া। যদিও মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী বলেছেন, তালিকায় আমার নামটা আসলে আমি যেভাবে কষ্ট পেতাম, ওনারা ঠিক এভাবেই কষ্ট পেয়েছেন। সেজন্য আমি ব্যথিত। আমিও কষ্ট পেয়েছি। আমি নি:স্বার্থ ক্ষমা প্রাথর্না করছি। এর পরও মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রিকে নিয়ে আওয়ামী নামধারী কিছু মানুষ যেধরনের কুরুচি সম্পন্ন ভাষা ও কুৎসা রটিয়ে বি.এন.পি, জামাতকে উস্কে দিচ্ছেন তাঁদের কাছে একটা প্রশ্ন?? আপনারা আসলে কি চাচ্ছেন ?? বি.এন.পি, জামাত ক্ষমতায় থেকে যখন মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতার ইতিহাস সবই পরিবর্তন করে দিয়েছিলো তখন আপনারা কোথায় ছিলেন ?? এখনত মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর নির্দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের আর রাজাকারদের তালিকা প্রনয়ণ ও প্রকাশিত হচ্ছে! এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর সঠিক তালিকা করার চেষ্টা করা হচ্ছে সেখানে কিছু ভুল ত্রুটি থাকতেই পারে! কারন স্বাধীনতার পর এই দেশটিতে স্বৈর শাসক আর স্বাধীনতা বিরুধীরা সরকারে ছিল তাঁদের প্রধান কাজ ছিল সঠিক ইতিহাস মুছে ফেলা এবং তাঁরা সেটাই অনেকাংশে সফলও হয়েছে! আজও সেই প্রেতাত্মাদের বংশদররা আমাদের চারপাশে এমনকি সচিবলয়ের মত জায়গায় মুখোশ পরে আছে তাঁদের মূলোৎপাটন এত সহজ নয় তাই তাঁদের সেই কুকর্মের কারণেই রাজাকারদের তালিকায় অপ্রত্যাশিত ভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের নাম চলে আসছে! তাই আজ আওয়ামী নামদারী অনেক মানুষের ফেসবুকে পোস্ট দেখে মনে হয় তাঁরা তাঁদেরই বংশদর! যদি তাঁরা সত্যিকারে আওয়ামী লিগার হতো তাহলে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ এবং ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখতে বলার পরও কেন তাঁরা সরকার এবং মাননীয় মুক্তিযোদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীকে কে অরুচিকর কথা বলে বেরাচ্ছেন তাঁরা তো অবশ্যই মাননীয় প্রধান মন্ত্রী যে বলেছেন "অনেক ঝামেলা মিলিটারি ডিক্টেটররা করে রেখে গেছে। এ তালিকার কারণে ক্ষুব্ধ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারগুলোকে বিষয়টি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার আহ্বান জানিয়ে এর সঙ্গে জড়িত কর্ম কর্তাদের শাস্তি দেওয়ার ঘোষণা ও ছিল! এর পরও একজন স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত মাননীয় মন্ত্রীকে নিয়ে তাঁদের প্রোপাগান্ডা থেমে থাকেনি এমনকি মাননীয় মন্ত্রীর যোগ্যতা নিয়ে তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন?? অনেকে আওয়ামী লীগ করেন কিন্তু আপনাদের হয়তোবা মাননীয় মন্ত্রী মহোদ্বয় সম্পর্কে বা তাঁর রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পর্কে জানা নাই তাঁদের জন্য আমার আজকের ছোট পরিসরে তুলেধরা; মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক ১৯৪৬ সালের ১ অক্টোবর গাজীপুর সদর উপজেলার দাখিণ খান গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মরহুম ডাঃ আনোয়ার আলী ও মাতার নাম মরহুমা রাবেয়া খাতুন। আ.ক.ম মোজাম্মেল হক বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি সক্রিয় রাজনীতির সাথে জড়িত। তিনি ১ মেয়াদে পূর্ব পাকিসত্মান ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও দুই মেয়াদে সহ-সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি গাজীপুর মহকুমা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক। ১৯৭৬ সাল থেকে বর্তমান পর্যমত্ম দীর্ঘ ৩৮ বছর তিনি গাজীপুর জেলা শাখা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সংগঠক। ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ গাজীপুরে সর্বপ্রথম প্রতিরোধ যুদ্ধে তিনি সশস্ত্র প্রতিরোধ কমিটির আহবায়ক হিসেবে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ব্রিগেডিয়ার জাহান জেবের বিরম্নদ্ধে সম্মুখে যুদ্ধে নেতৃত্ব দেন। স্থানীয় সরকার পরিচালনায় তিনি বিশেষ দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন। ১৯৭৩ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যমত্ম তিনি ৩ বার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান। ১৯৮৯ থেকে ২০০৮ সাল পর্যমত্ম ৪ বার পৌর চেয়ারম্যান ও মেয়র নির্বাচিত হন। বহুবার তিনি দেশের শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ১৯৯৬ ও ২০০৩ সালে শ্রেষ্ঠ পৌর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ঢাকা সদর উত্তর মহকুমার কার্যালয় (SDO অফিস) গাজীপুরে স্থানামত্মরিত করা ও পরবর্তীতে গাজীপুর জেলা বাসত্মবায়নে মূলতঃ একক দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে পৌর মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগ করে গাজীপুর-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ভূমি মন্ত্রণালয় সংক্রামত্ম সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিনা-প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য স্বাধীনতা পদক ২০১৯ লাভ করেন। আ.ক.ম মোজাম্মেল হক শিক্ষা ও সমাজ সেবামূলক অসংখ্য কর্মকান্ডে জড়িত আছেন। তিনি সরকারি সফরে এশিয়া, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপের বহু দেশে ভ্রমন করেছেন। মাননীয় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা এখানেই থেমে থাকেনি অনলাইন মিডিয়ায় আওয়ামী নামদারী ও আওয়ামী বিরুধীরা একটি নিউজ ভাইরাল করেছেন সেটা হল সদ্য স্থগিত হওয়া রাজাকারের তালিকা প্রকাশ করতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে ৬০ কোটি টাকা দেয়া হয়েছিল তারপর মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মারুফ আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রেস রিলিজ এর মাধ্যমে এই মিথ্যা নিউজ এর তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ করা হয় এবং প্রেস রিলিজে বলা এই রাজাকারের তালিকা প্রকাশ করার জন্য কোন কোন অর্থ বরাদ্ধ হয়নি বা বরাদ্ধ চাওয়া হয়নি এমনকি মাননীয় মন্ত্রী রাজাকারের তালিকা বাতিলের পর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেছেন, ‘তালিকা প্রণয়ন বা প্রকাশে ৬০ কোটি নয়, ৬০ পয়সাও খরচ হয়নি। যারা এ নিয়ে মিথ্যা প্রপাগান্ডা ছড়িয়েছেন, তাদের নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপনারা লক্ষ রাখবেন এর পরও মাননীয় মন্ত্রীকে নিয়ে একটি সার্থনেষী মহল মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালিয়ে যাচ্ছেন- যুগে যুগে অনেক মীরজাফর এবং মোস্তাকের জন্ম হয়েছে কেউই বেশিদিন টিকে থাকতে পারেনি যাঁরা এই মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছেন তাঁদের মুখোশ ও জাতির সামনে উম্মোচন হবে ইনশাআল্লাহ। মহান মুক্তিযুদ্ধ মাত্র ৯ মাসে সমাপ্ত হলেও এর রেশ বাঙালি জাতির জীবনে অনাগত যুগগুলোতেও শেষ হবে না। উপমহাদেশে তো বটেই, বিশ্বজুড়েই বাংলাদেশের অভ্যুদয় ছিল বিংশ শতকের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য স্বাধীনতা সংগ্রাম। আমাদের প্রতিবেশী ভারতেও স্বাধীনতার এক বছরের মাথায় দেশটির জাতির জনক মহাত্মা মোহন দাস করমচাঁদ গান্ধীকে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু সেখানে বাংলাদেশের মতো জাতির পিতাবিরোধী শক্তি ক্ষমতায় আসেনি। বস্তুত পঁচাত্তরের পর দুই দশক ধরে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার বিপরীত পথে হেঁটেছে। এমনকি চিহ্নিত স্বাধীনতাবিরোধীরাও তখন রাষ্ট্র ও সরকারের শীর্ষ পদে আসীন হয়েছে। ঘাতকের গাড়িতে উড়েছে আমাদের রক্তে রাঙা পতাকা। ওই দীর্ঘ অন্ধকারেই আসলে হারিয়ে গেছে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের অনেক দলিল ও স্মারক। এরই মধ্যে মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট থেকে ওই বিতর্কিত তালিকাটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী জনাব আ ক ম মোজাম্মেল হক বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, রাজাকারের তালিকা যাচাই করে সংশোধনের জন্য আগামী ২৬শে মার্চ পর্যন্ত সেটি স্থগিত করা হয়েছে। সৎ, যোগ্য, নীতিবান ও বিশ্বাসী মাননীয় মুক্তিযোদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর অত্যান্ত স্নেহ ভাজন এবং তারই নির্দেশে মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনাকে সমুন্নত রাখা এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত রাখতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন এমন কী মুক্তিযোদ্ধাদের অধিকার সংক্রান্ত বিধিমালা ও নীতিমালা প্রনয়ণ এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও স্মৃতি সংরক্ষণের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের সার্বিক কল্যাণ সাধন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনাকে রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় জীবনে সুপ্রতিষ্টিত করাই এই মন্ত্রণালয়ের অন্যতম চ্যালেঞ্জ! তাই আসুন সব ভেদাভেদ ভুলে, অন্যের চরিত্র হননের মত জঘন্য কাজ থেকে বিরত থেকে দেশের বিরহত্তর স্বার্থে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ায় মনোযোগী হই তাহলেই ৩০ লক্ষ শহীদের আত্মা শান্তি পাবে। ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, লেখক: ডাঃ মাসুম বিল্লাহ স্কুল অফ মেডিসিন, মেডিকেল সাইন্সেস এন্ড নিউট্রিশন, আবেরডিন ইউনিভার্সিটি স্কটল্যান্ড, যুক্তরাজ্য। 

সম্পাদক : মোঃ ওলিউর রহমান খান প্রকাশক : মোঃ শামীম আহমেদ
ফোন : +44 07490598198 ই-মেইল : news@banglavashi.com
Address: 1 Stoneyard Lane, London E14 0BY, United Kingdom
  কপিরাইট © 2015-2017
banglavashi.com এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত
বাস্তবায়নে : Engineers IT