গোলাপগঞ্জে হাজী আব্দুস সহিদ আলিম মাদরাসায় অবৈধ নিয়োগ বাণিজ্যে, ফান্ড আত্মসাৎ ও অধ্যক্ষের কারসাজির অভিযোগ।

গোলাপগঞ্জে হাজী আব্দুস সহিদ আলিম মাদরাসায় অবৈধ নিয়োগ বাণিজ্যে, ফান্ড আত্মসাৎ ও অধ্যক্ষের কারসাজির অভিযোগ।

গোলাপগঞ্জের হাজী আব্দুস সহিদ মহিলা আলিম মাদরাসায়  নিয়মবহির্ভূত গভরম্যান্ট  বোর্ডের সভাপতি, ফান্ড আত্মসাৎ, নিয়োগ–বাণিজ্য এবং অধ্যক্ষের স্বেচ্ছাচারিতার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনায় মাদরাসা–পাড়ায় তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে—মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা শফিকুল ইসলাম বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নিজেকে প্রকাশ্যে আওয়ামীলিগের ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন প্রতিষ্ঠানটিতে প্রভাব বিস্তার করেন। সে সময় ভয়ভীতি, রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক চাপ দেখিয়ে কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বলতে পারতেন না।

অভিভাবক ও দাতা সদস্যদের অভিযোগ—বর্তমান সরকার কমিটি বিলুপ্ত করার সুযোগে অধ্যক্ষ কাউকে কিছু না জানিয়ে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে নতুন কমিটির সভাপতি নিয়োগ করেন। কোনো বৈঠক, আলোচনা বা অনুমোদন ছাড়াই মাদরাসার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন এমন আব্দুস সামাদকে সভাপতি নিয়োগ করা হয়। এলাকাবাসীর দাবি—মাদরাসা প্রতিষ্ঠার পর কখনো তাকে প্রতিষ্ঠানটিতে দেখা যায়নি; শুধুমাত্র অধ্যক্ষের দুর্নীতি ডাকার জন্য কতিপয় আব্দুস সামাদকে সভাপতি নিয়োগ করেছেন । এলাকাবাসী মনে করেন ২০২৫ এ টাকার বিনিময় অবৈধভাবে যে সমস্ত শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে তাতে অধ্যক্ষের সাথে অবৈধ সভাপতি আব্দুস সামাদ জড়িত।

এছাড়া অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ফান্ড ব্যবহারে অনিয়ম, গুরুত্বপূর্ণ নথি গোপন, সিদ্ধান্ত গ্রহণে একচ্ছত্র ক্ষমতা প্রয়োগ এবং শিক্ষা–পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করার মতো অভিযোগে একাধিক নোটিস জমা পড়ে, কিন্তু সেগুলো দীর্ঘদিন নীরবভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে।

ক্ষুব্ধ অভিভাবক ও স্থানীয়রা বলেন, “মাদরাসাকে ব্যক্তিস্বার্থের বলি বানানো হচ্ছে।”

তারা দ্রুত অবৈধ কমিটির সভাপতি বাতিল, অধ্যক্ষের কারসাজির নিরপেক্ষ তদন্ত এবং মাদরাসায় স্বচ্ছ প্রশাসন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।


১১৯৯ সালে গোলাপগঞ্জ থানা ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়নে নিশ্চিন্ত গ্রামে হাজী আব্দুর শহীদ মহিলা আলিম মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়, মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা জনাব হাজী আব্দুর শহীদ তিনি শ্রম এবং অর্থ ব্যয় করে মাদ্রাসাটি এমপি ভুক্ত করেন, তিনি মারা যাওয়ার পরে উনার  বড় ছেলে সোহেল আহমেদ দীর্ঘদিন সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন এবং মাদ্রাসাটি অত্যন্ত সুনামের সাথে ভালো রেজাল্ট করে আসছিল, 
দুঃখের বিষয় হলেও সত্যি বর্তমান সরকার কমিটি বাতিল করার পর মাদ্রাসার অধ্যক্ষ নিজের ফায়দা হাসিলের জন্য সম্পূর্ণ অবৈধভাবে  কথিত সভাপতি নিয়োগ করেন এবং উভয় মিলেমিশে  মাদ্রাসার  ফান্ড এবং অবৈধ নিয়োগ বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েন বিপুল অংকের টাকার বিনিময়ে নিয়মিতভাবে প্রয়োজন অনুযায়ী  শিক্ষককে নিয়োগ দান করেন।