জমানো আক্ষেপ

জমানো আক্ষেপ

খায়রুন নেসা

একটা পুরো রাত,জমানো আক্ষেপ 

কিছু অমিল সমীকরণে অযথা কাটাকুটি! 

সমস্ত অভিযোগের পায়তারা! 

নিজের প্রতি অভিযোগ 

যোগ বিয়োগ বাদ রেখে কেবল দীর্ঘশ্বাসের সাথে আলাপন!

কোথাও কেউ নেই, আসলে কোথাও কেউ থাকে না!

এখন মানুষের মাঝে অপশন বেশি।এতো সব অপশনে একটা আপন জায়গা হারিয়ে ফেলে মানুষ।

মায়া আর ভালোবাসার আগে যেখানে মন চায় না সেখানে আটকে থাকে। 

না হয় অন্যদিকে অন্য ঠিকানায় ছুটে যাচ্ছে। 

আচ্ছা এতোসব ব্যথা দানের কথাগুলো কোন ঝুড়িতে জমা হয়!

অ্যাডজাস্টমেন্ট নামক শব্দের উপাখ্যানের পর জীবন প্রশ্নবিদ্ধ হয়, 

পরিণীতা চরিত্রে সকল মেনে নেয়ার পর তার প্রশ্ন ছিলো.... বাবাইদা আমাকে ভালোবাসলে না কেন!

আমাকে ভালোবাসলে জীবনটা তো অন্যরকম হতে পারতো।

কি সুন্দর হৃদয়ের আক্ষেপের উপাখ্যান। 

যেনো সহজ স্বীকারোক্তি! 

সিম্পলিসিটি আর আর্টিফিশিয়ালে এক চমকপ্রদ গোলকধাঁধা ঘুরেছে।মানুষ সেই ধাঁধাতে আটকে গিয়ে মানুষ থেকে মানুষ পরিবর্তন করে। এতোসব আয়োজনের পরও একজন নিজের মানুষ খুঁজে পায় না। 

একটু কথা জমা করার জায়গাটা হয় না,

দিন শেষে সমস্ত ক্লান্তি নিয়ে নিজেকে খুচরো পয়সার মতো জমা রাখার জায়গাটুকু নেই।

ভালো লাগার সার্টেন ক্রাটেরিয়া দাঁড় করিয়ে better অপশন খুৃঁজতে খুঁজতে মানুষ এটাও ভুলতে বসে সেও মানুষ। 

ভালো আর খারাপ মিলিয়ে সেও একজন।

ভালো মন্দের মানদণ্ড বিচারে সম্পর্কগুলো বড্ড হাপিত্যেশ নিয়ে বাঁচে।

ছেড়ে যাওয়ার হাজারটা কারণকে সামনে রাখে থেকে যাওয়ার একটা কারণ খুঁজে দেখে না।

নয় ছয়ের এ দুনিয়ায় মানুষ অমিলের সমীকরণে হাঁপিয়ে উঠে।

একসময় হিসেব কষা ছেড়ে দিয়ে বাঁচতে শুরু করে। বাঁচাটা জরুরি। 

সকলের মাঝেও ভীষণ রকম একাকীত্বের দায় টুকু লুকিয়ে বাঁচিয়ে পথচলে।

তবুও যে বাঁচতে হয়, তবুও পথ চলে যেতে হয় দূর থেকে দূরে......