ফ্রান্সে ফেরত পাঠানো অভিবাসী পুনরায় অবৈধপথে যুক্তরাজ্যে

ফ্রান্সে ফেরত পাঠানো অভিবাসী পুনরায় অবৈধপথে যুক্তরাজ্যে

ফ্রান্সে ফেরত পাঠানো যুক্তরাজ্যের দ্বিতীয় অভিবাসী আবারও অবৈধভাবে দেশে প্রবেশ করেছেন। হোম অফিস জানিয়েছে, বায়োমেট্রিক শনাক্তের মাধ্যমে তাকে তৎক্ষণাৎ আটক করা হয়েছে এবং যত দ্রুত সম্ভব আবার ফ্রান্সে পাঠানো হবে। ছোট নৌকায় করে ফ্রান্স থেকে যুক্তরাজ্যে প্রবেশ ঠেকাতে সরকার যে “ওয়ান ইন, ওয়ান আউট” চুক্তি করেছে, এটি তারই অংশ।

এর আগে গত মাসে এক ইরানি নাগরিক ফ্রান্সে ফেরত পাঠানোর এক মাস পর পুনরায় ছোট নৌকা দিয়ে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান। তাকেও পুনরায় দেশে পাঠানো হয়েছে। হোম অফিসের মুখপাত্র বলেন, এভাবে অবৈধভাবে ফিরে আসার চেষ্টা সম্পূর্ণ অর্থ ও সময়ের অপচয়। কেউ ফিরে আসার চেষ্টা করলে শনাক্ত করে আবারও ফেরত পাঠানো হবে। তিনি আরও জানান, সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত ও অবৈধ অভিবাসী অপসারণ বাড়াতে সরকার যা করার দরকার তাই করবে।

চুক্তি অনুযায়ী প্রথম ছোট নৌকা যাত্রী ভারতীয় নাগরিককে ১৮ সেপ্টেম্বর প্যারিসে ফেরত পাঠানো হয়। গত সেপ্টেম্বরেই যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স এ পাইলট স্কিম চালু হয়, যার লক্ষ্য চ্যানেল পাড়ি দেওয়া অভিবাসীদের প্রবেশ নিরুৎসাহিত করা। এরই অংশ হিসেবে ছোট নৌকায় যুক্তরাজ্যে পৌঁছানো প্রায় ১০০ জনকে লন্ডনের হিথ্রোর নিকটবর্তী ইমিগ্রেশন সেন্টারে আটক রাখা হয়েছে এবং তাদের ফ্রান্সে ফেরত পাঠানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

শুধু গত শনিবারেই ছোট নৌকায় করে ৫০০-র বেশি অভিবাসী চ্যানেল পাড়ি দিয়েছে। এ বছর এখন পর্যন্ত ৩৮ হাজার ৭২৬ জন অভিবাসী চ্যানেল অতিক্রম করেছেন।

এদিকে, যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ ডেনমার্কের আদলে অভিবাসন আইন সংস্কারের কথা বিবেচনা করছেন। গত সেপ্টেম্বর লেবার কনফারেন্সে তিনি ঘোষণা করেন, ব্রিটেনের সীমান্ত নিয়ন্ত্রণে ফিরতে যেকোনো পদক্ষেপ নেয়া হবে। পরিবার পুনর্মিলনের বিধি কঠোর করা এবং বৈধতা প্রমাণে ব্যর্থদের দ্রুত অপসারণ সহজ করাই তার লক্ষ্য বলে জানা গেছে।

সরকারের অবস্থান স্পষ্ট—অবৈধভাবে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ হবে এবং প্রত্যেককে ফেরত পাঠানো হবে।

সুত্র: lb24