রিফর্ম ইউকের লন্ডন মেয়র প্রার্থী লায়লা কানিংহামের বোরকা ও মুখঢাকা পোশাক নিয়ে মন্তব্য ঘিরে যুক্তরাজ্যে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে

রিফর্ম ইউকের লন্ডন মেয়র প্রার্থী লায়লা কানিংহামের বোরকা ও মুখঢাকা পোশাক নিয়ে মন্তব্য ঘিরে যুক্তরাজ্যে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে


রিফর্ম ইউকের লন্ডন মেয়র প্রার্থী লায়লা কানিংহামের বোরকা ও মুখঢাকা পোশাক নিয়ে মন্তব্য ঘিরে যুক্তরাজ্যে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। মুসলিম নেতাদের অভিযোগ, এসব বক্তব্য মুসলিম নারীদের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ফেলতে পারে এবং সমাজে বিভাজন বাড়াচ্ছে।

২০২৮ সালের লন্ডন মেয়র নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে সম্প্রতি ঘোষিত কানিংহাম বলেন, “খোলা সমাজে কেউ মুখ ঢেকে রাখতে পারে না” এবং দাবি করেন, “যদি কেউ মুখ ঢেকে রাখে, ধরে নিতে হবে এর পেছনে অপরাধমূলক কারণ আছে।” তিনি বোরকা পরা নারীদের ‘স্টপ অ্যান্ড সার্চ’-এর আওতায় আনার প্রস্তাব দেন।

স্ট্যান্ডার্ড পডকাস্টে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, লন্ডনের কিছু অংশে গেলে শহরটিকে “মুসলিম শহর” মনে হয় এবং দেশে “একটি মাত্র নাগরিক সংস্কৃতি” থাকা উচিত, যা হবে “ব্রিটিশ”।

মুসলিম উইমেনস নেটওয়ার্ক ইউকের চেয়ার ব্যারোনেস শাইস্তা গোহির মন্তব্যগুলোকে “বিপজ্জনক” ও “বর্ণবাদীদের প্রতি ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা” বলে আখ্যা দেন। তিনি জানান, ইসলামবিদ্বেষী হুমকি বেড়ে যাওয়ায় তাদের সংস্থাকে অফিসের সাইনবোর্ড ও কর্মীদের ছবি সরিয়ে ফেলতে হয়েছে।

এলবিসি রেডিওতে লন্ডনের মেয়র সাদিক খান বলেন, বিভাজন নয়—মেয়রের দায়িত্ব মানুষকে একত্রিত করা। অন্যদিকে লেবার এমপি আফজাল খান মন্তব্যগুলোকে “ভোটের স্বার্থে ইচ্ছাকৃত বিভাজন” বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, ব্যক্তিগত পোশাকের বিষয়ে রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ অনুচিত।

বোরকা ইস্যুতে রিফর্ম ইউকের ভেতরেও মতভেদ রয়েছে। যদিও আগে দলটি বোরকা নিষিদ্ধের প্রস্তাবকে নাকচ করেছিল, সাম্প্রতিক মন্তব্য নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে।

(সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান)